Text size A A A
Color C C C C
সর্ব-শেষ হাল-নাগাদ: ২৭ জুন ২০২১

সেবা সহজিকরণ-১

০১. উদ্ভাবনের শিরোনাম : শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের নিয়ন্ত্রণাধীন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানসমূহের ডাটাবেজ উন্নয়ন উপাত্ত।

 

০২. পটভূমি:

শিক্ষা প্রকৌশল অধিদপ্তর দেশের শিক্ষাখাতের বিভিন্ন অধিদপ্তরের অনেক প্রকল্প ও রাজস্ব খাতের বেশ কিছু কর্মসূচি বাস্তবায়ন করে  এবং প্রতি বছর নতুন প্রকল্প ও রাজস্ব কর্মসূচি হাতে নেয়। এ সকল প্রকল্প বা কর্মসূচি গ্রহণ করার আগে উপজেলার সকল শিক্ষা প্রতিষ্ঠান সার্ভে করতে হয়। দেখা যাচ্ছে প্রতি বছরই কয়েকবার এ সকল প্রতিষ্ঠানের সার্ভে হয়। কিন্তু উপজেলা পর্যায়ে শিক্ষা প্রকৌশল অধিদপ্তরের অফিস সেটআপ বা পর্যাপ্ত জনবল ও প্রয়োজনীয় আইটি সাপোর্ট  না থাকায় শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের সার্ভে বা তথ্যসমূহ সংরক্ষণ করা সম্ভব হয়নি। এতে করে একই প্রতিষ্ঠানের তথ্য বারবার সার্ভে করতে গিয়ে একদিকে যেমন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে পাঠদানে বিঘ্ন ঘটে, অন্যদিকে মাঠ পর্যায়ের প্রকৌশলীদের কর্মঘন্টা নষ্ট হয় ও সরকারের আর্থিক ব্যয় বৃদ্ধি পায়। তথ্যসমূহ ওয়েবসাইটে সংরক্ষিত না থাকায় দেশের সাধারণ জনগণ তার শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের কোন তথ্য সহজে পান না। জনগণের তথ্য অধিকার,  অধিদপ্তরের জবাবদিহিতা ও স্বচ্ছতা নিশ্চিতকরণের লক্ষ্যে সারা দেশের সকল শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের তথ্য সর্বসাধারণের কাছে তুলে ধরা অবশ্যম্ভাবী হয়ে দাঁড়ায়।

মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর দপ্তর কর্তৃক একসেস টু ইনফরমেশন (এটুআই) প্রোগ্রামের সরাসরি তত্ত্বাবধানে উদ্ভাবনী কর্মশালায় অংশ গ্রহণের মাধ্যমে শিক্ষা প্রকৌশল অধিদপ্তর সারা দেশের সকল শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের তথ্য সর্বসাধারণের কাছে তুলে ধরার  তাগিদ বোধ করে। তারই লক্ষ্যে সারা দেশের সকল শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের তথ্য সর্বসাধারণের কাছে তুলে ধরার  উপযোগী করে শিক্ষা প্রকৌশল অধিদপ্তরের ওয়েবসাইটকে আপডেট করা হয়। এই কর্মসূচি বাস্তবায়নের সময় প্রধান যে সমস্যাটি দেখা দেয় তা হলো আইটি জ্ঞানসম্পন্ন জনবল, কম্পিউটার ও পর্যাপ্ত নেটওয়ার্কের অভাব। এ পরিপ্রেক্ষিতে ডিপার্টমেন্টের আইটি জ্ঞানসম্পন্ন অফিসারদের দ্বারা অভ্যন্তরীণ ট্রেনিং এর মাধ্যমে মাঠ পর্যায়ের সকল প্রকৌশলীকে  অনলাইনে শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের তথ্য হালনাগাদ করার মতো প্রশিক্ষিত করা হয়েছে।  

০৩. পরিবর্তনের শুরুর কথা :

          এনালগ পদ্ধতিতে অভ্যস্ততার কারণে ডিজিটাল পদ্ধদিতে কাজ করার শূরুতে একটু সমস্যা হলেও বর্তমানে তথ্য অনলাইনে হালনাগাদ শুরু হয়েছে। এতে করে তথ্য আপলোডকারীর কর্মঘন্টা সাশ্রয় হয়েছে ও কর্মদক্ষতা বেড়েছে। দেশের সকল নাগরিক চাহিদা মোতাবেক দেশের যে কোন প্রান্ত থেকে যে কোন প্রতিষ্ঠানের তথ্য দেখতে পারবেন। ডিজিটাল পদ্ধতিতে  তথ্য আপলোডের ফলে সময় সাশ্রয় হয়েছে, ভোগান্তি কমেছে, সরকারের ব্যয় কমেছে, স্বচ্ছতা বৃদ্ধি পেয়েছে এবং সর্বোপরি সেবার মানে এসেছে আমূল পরিবর্তন, যা এখন জনবান্ধব বলা যায়।

০৪. উপকারভোগীদের অনুভূতি :

          ডিজিটাল পদ্ধতিতে  তথ্য আপলোডের ফলে দ্রুত সময়ে দেশের যে কোন প্রান্তে বসে যে কোন প্রতিষ্ঠানের তথ্য পাওয়া যাচ্ছে। ফলে দ্রুত সেবা পাওয়ায় একদিকে জনগনের সময় সাশ্রয় হচ্ছে, অপরদিকে সরকারি অফিস সম্পর্কে ইতিবাচক দৃষ্টিভঙ্গি সৃষ্টি হচ্ছে।

০১. উদ্ভাবনের শিরোনাম : উন্নয়ন প্রকল্পের অগ্রগতির প্রতিবেদন অনলাইনে আপলোড করন।

০২. পটভূমি:

শিক্ষা প্রকৌশল অধিদপ্তর দেশের শিক্ষাখাতের বিভিন্ন অধিদপ্তরের অনেক প্রকল্প ও রাজস্ব খাতের বেশ কিছু কর্মসূচি বাস্তবায়ন করে আসছে। এসকল উন্নয়ন কাজ ও রাজস্ব কর্মসূচির অগ্রগতির প্রতিবেদনসমূহ প্রতিনিয়ত মন্ত্রণালয় ও আইএমইডিকে অবহিত করতে হয়। কিন্তু অধিদপ্তরের জনবল সংকট ও হেড কোয়ার্টার থেকে জেলা অফিসসমূহের দুরত্বের কারণে মাঠ পর্যায় হতে যথাসময়ে অগ্রগতির প্রতিবেদনসমূহ পাওয়া যেতনা বিধায় মন্ত্রণালয় ও আইএমইডিকে অবহিত করতে বিলম্ব হতো। এতে করে উন্নয়ন কাজ সফলভাবে বাস্তবায়নের পরও মাঝে মধ্যে অধিদপ্তরের কর্মদক্ষতা সঠিকভাবে পরিলক্ষিত হতো না। উন্নয়ন কাজ ও রাজস্ব কর্মসূচিসমূহ সফলভাবে বাস্তবায়নের পাশাপাশি অগ্রগতির প্রতিবেদনসমূহ যথাসময়ে মন্ত্রণালয় ও আইএমইডিকে অবহিত করার মাধ্যমে অধিদপ্তরের কর্মদক্ষতা সঠিকভাবে পরিষ্ফুটিত করাটা একটা চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়ায়।

মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর দপ্তর কর্তৃক একসেস টু ইনফরমেশন (এটুআই) প্রোগ্রামের সরাসরি তত্ত্বাবধানে উদ্ভাবনী কর্মশালায় অংশ গ্রহণের মাধ্যমে শিক্ষা প্রকৌশল অধিদপ্তর সকল উন্নয়ন ও রাজস্ব কর্মসূচির অগ্রগতির প্রতিবেদন অনলাইনে হালনাগাদকরণে উৎসাহ পায়। তারই লক্ষ্যে অগ্রগতির প্রতিবেদন অনলাইনে হালনাগাদ করার উপযোগী করে শিক্ষা প্রকৌশল অধিদপ্তরের ওয়েবসাইটকে আপডেট করা হয়। এই কর্মসূচি বাস্তবায়নের সময় প্রধান যে সমস্যাটি দেখা দেয় তা হলো আইটি জ্ঞানসম্পন্ন জনবলের অভাব। এ পরিপ্রেক্ষিতে ডিপার্টমেন্টের আইটি জ্ঞানসম্পন্ন অফিসারদের মাধ্যমে অভ্যন্তরীন ট্রেনিং এর মাধ্যমে কিছু কর্মকর্তা/কর্মচারিকে অগ্রগতি প্রতিবেদন অনলাইনে হালনাগাদ করণ বিষয়ে প্রশিক্ষিত করা হয়েছে। 

০৩. পরিবর্তনের শুরুর কথা :

          এনালগ পদ্ধতিতে অভ্যস্ততার কারণে ডিজিটাল পদ্ধদিতে কাজ করার শুরুতে একটু সমস্যা হলেও বর্তমানে তথ্য অনলাইনে হালনাগাদ শুরু হয়েছে। এতে করে তথ্য আপলোডকারী ও ব্যবহারকারী দুই প্রান্তের কর্মকর্তা/কর্মচারীগণের যেমন অধিক সময় সাশ্রয় হয়েছে তেমনি কর্মঘন্টা সাশ্রয় হয়েছে ও কর্মদক্ষতা বেড়েছে। ডিজিটালাইজেশনের কারণে পূর্বের অহেতুক কাজের চাপ কমায় ব্যাক্তিগত ও পারিবারিক জীবনেও এসেছে প্রশান্তি। ডিজিটাল পদ্ধতিতে  তথ্য আপলোডের ফলে সময় সাশ্রয় হয়েছে, ভোগান্তি কমেছে, সরকারের ব্যয় কমেছে এবং সর্বোপরি সেবার মানে এসেছে আমূল পরিবর্তন, যা এখন জনবান্ধব বলা যায়।

০৪. উপকারভোগীদের অনুভূতি :

          ডিজিটাল পদ্ধতিতে  তথ্য আপলোডের ফলে দ্রুত সময়ে দেশের যে কোন প্রান্তে বসে তথ্য পাওয়া যাচ্ছে। ফলে দ্রুত সেবা পাওয়ায় একদিকে জনগনের সময় সাশ্রয় হচ্ছে, অপরদিকে সরকারি অফিস সম্পর্কে ইতিবাচক দৃষ্টিভঙ্গি সৃষ্টি হচ্ছে।


Share with :

Facebook Facebook